আপডেট: October 24, 2026
স্টাফ রিপোর্টার::
বরিশালে আবুল খায়ের কোম্পানীর বিভাগীয় প্রধান আল আমিন ও সুপার ভাইজার আনোয়ারের বিরুদ্ধে কর্মচারীদের হয়রানাী করার অভিযোগ উঠেছে।
এমনকি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানটির নাম ব্যাবহার করে বাজারে ভেজাল পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোম্পানীর মাঠপর্যায়ের কর্মচারীরা বলেন, কোম্পানীর বিভাগীয় প্রধান আল আমিন অসদুপায় অবলম্বন করে বাহির থেকে নিম্নমানের পণ্য কিনে আবুল খায়ের কোম্পানীর নামে বিক্রি করছেন। আল আমিনের এসব অপকর্মের সহায়তাকারী হিসেবে রয়েছেন একই প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার আনোয়ার।
কোম্পানীর মাঠপর্যায়ের কর্মচারীরা আরও বলেন, অসৎ এই দুই কর্মকর্তার কথামতো ভেজাল পণ্য বিক্রি করতে অসম্মতি জানালে আমাদের ওপর শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়।
যার ধারাবাহিকতায় চলতি মাসের ১৯ অক্টোবর বরিশাল কাউনিয়া হাউজিং এলাকায় হাসান ও সাহাদত নামে আমাদের দুই কর্মচারীকে রাতের আঁধারে মারধর করে আটকে রাখা হয়।
একপর্যায়ে বরিশালের সাংবাদিক ও পুলিশের সহায়তায় গভীর রাতে হাসান ও সাহাদতকে উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি কোম্পানীর সুপারভাইজার আনোয়ারকে আটক করে নিয়ে যায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। পরে থানায় বসে কর্মচারীদের সাথে সুপারভাইজারের সমাধান হয়। এক্ষেত্রে কোম্পানীর সুপারভাইজার আনোয়ারের কাছ থেকে মুচলেকা রাখেন কাউনিয়া থানার ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন।
এদিকে সুপারভাইজার আনোয়ার হোসেন বলেন, ভাই (সাংবাদিক) আমাদের সাথে কর্মচারীদের একটু ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি থানায় বসে সমাধান হয়েছে। আর ভেজাল পণ্য আমরা বিক্রি করছি না। মাঠপর্যায়ে যেসকল কর্মচারী রয়েছে তারা মাঝেমধ্যে অন্য কোম্পানীর পণ্য বিক্রি করছে। এটা আমাদের দেখার বিষয় নয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে আবুল খায়ের কোম্পানীর বরিশাল বিভাগীয় প্রধান আল আমিন বলেন, সুপারভাইজার আনোয়ারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট হলে সুপারভাইজার আনোয়ারকে কেন আটক করা হলো? এমন প্রশ্নের উত্তরে আল আমিন বলেন, আপনারা (সাংবাদিক) পুলিশকে বললে তো আটক করবেই! তাছাড়া আমাদের কোম্পানীর কেউ ভেজাল পণ্য বিক্রি করছে না।






