দুমকীতে হারুন গ্যাংয়ের হামলায় আহত ১১

আপডেট: April 29, 2023

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার
সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ১১ জনকে কোপানো ও পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে হারুন গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে। গত বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে দুমকী উপজেলার মুরাদীয়া ইউনিয়নের চরগরবদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসময়ে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ও পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন সাকিব গাজী,হৃদয় হাওলাদার, মারুফ হাওলাদার,রিয়াজ হাওলাদার,আবিরুল সিকদার,সিফাত হাওলাদার, জাকারিয়া খান,রুহুল আমিন,জহুরা বেগম,জাহানারা বেগম,মাহিনুর বেগমসহ কয়েকজন। এদের মধ্যে অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সিনিয়র দাবী করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে স্থানীয় হারুন গ্যাংয়ের সদস্যরা। এই গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা শুরু করে স্থানীয়রা। কিন্তু প্রতিবাদ করার কারণে তাদের ওপর হামলা চালায় গ্যাংটির সদস্যরা। এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে গ্যাংয়ে সক্রিয় রয়েছে হারুন মৃধা, হাসান মৃধা,জাহাঙ্গীর মৃধা,রাব্বি মৃধা,সুলতান খান,আল আমিন খান,নাসির খান,রুবেল খান, সোহেল খান,মেহেদী রাড়ী,মুরসালিন, বেল্লাল,তারেক,আমেনা বেগম, লতা বেগম, হাসি বেগম, খুশি বেগম, সুখী বেগম,শিরিন বেগম,মাহিনুর বেগম,আছিয়া বেগম,ফারজানা আক্তার, জাকিয়া আক্তার, কুলসী বেগমসহ আরও ৬/৭ জন যুবক। ভূমিদস্যুতায়,চাঁদাবাজি, ডাকাতি, লুটপাট, মাদকব্যবসায়ও জড়িত রয়েছে তারা। হারুন গ্যাংয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। এই গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতেও সাহস পায় না। এমনকি মুখ খুললে গ্যাংয়ের নারী সদস্যদের দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানিসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। তাছাড়া নাটকীয় ভাবে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে তারা। একপর্যায়ে ভূঁইফোড় কিছু পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী পরিবারকে হয়রানি করতে থাকে।এদিকে হামলার ঘটনায় দুমকী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আহতের পরিবার। পরিবারের সদস্য হৃদয় হাওলাদার বলেন,হারুন গ্যাংয়ের সদস্যরা আমাদেরকে ধারালো চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, বগি দা, কাঠকাটা করাত ও লোহার শাবল দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
হামলায় আহত হওয়ার পর আমরা থানায় অভিযোগ করেছি। ঘটনাস্থলে পরিদর্শনেও যায় পুলিশ। আবিরুল সিকদার জানান,হারুন মৃধা একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলো।

তবে এঘটনায় হারুন গ্যাংয়ের প্রধান হারুন মৃধা জানান, ‘আমরা এলাকায় শুধুমাত্র বাবা-ছেলে বসবাস করি। অন্য সদস্যরা কোথা থেকে এলো? এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন মৃধা বলেন,অন্যরা সবাই আমার পরিবারের সদস্য’।
এদিকে দুমকী থানার ওসি (তদন্ত) মাহবুব আলম বলেন,হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শিকদার মাহাবুব