আপডেট: July 16, 2022
স্টাফ রিপোর্টারঃবরিশাল সদর উপজেলার রাজারচর গ্রামে সুদে ব্যবসায়ী কলেজ শিক্ষক পরিবারের হামলায় একই পরিবারের পাঁচজন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বন্দর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
হামলায় আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতরা গরীব ও অসহায় হওয়ার কারণে হাসপাতালেও ভর্তি হতে পারেনি বলে জানা গেছে। আহতরা হলেন- বৃদ্ধ গনি খা,জসিম খা,বৃদ্ধা মমতাজ বেগম,মাহিনুর বেগম,তারমিন আক্তার,মৌসুমি আক্তার,রুমান,ওয়াশিম ও মনির। জসিম খা বলেন, ৩ বছর আগে আমি কলেজ শিক্ষক এমদাদুলের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা সুদে ধার নেই। কিন্তু মোট ১৮ হাজার টাকা তাকে সুদ দেওয়া হয়। পরে আসল ৫ হাজার টাকাও ফেরত দেওয়া হয়। তারপরও সে সুদের ২ হাজার টাকা দাবি করে।
এই সুদের টাকা না দেওয়ার কারণে এমদাদুল,তার স্ত্রী তাহমিনা বেগম, মেয়ে সুমি আক্তার ও তার শ্যালক আমাদেরকে লাঠি ও ছাতা দিয়ে মারধর করে। এর আগে সুদের টাকার জন্য স্থানীয় সুখরঞ্জনকে প্রকাশ্যে মারধর। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দা পরিমল সুদের টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে তার গোয়ালের গরু জোর করে নিয়ে যায় সে। তাছাড়া আমার মতো বহু ভুক্তভোগী তার কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
তবে সাহেবের হাট শহীদ ডিগ্রি কলেজের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক সুদে ব্যবসায়ের কথা অস্বীকার করে বলেন, প্রতিবেশীরা অনেকে আমার কাছ থেকে টাকা ধার নেয়। আর পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে মাঝেমধ্যে তাদের সঙ্গে ঝামেলা হয়। তাছাড়া টাকার জন্য আমার পরিবার তাদের ওপর হামলা করেনি। এদিকে শহীদ ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল মশিউর রহমান বলেন,সুদে ব্যবসায় করলে এমদাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে অবশ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি শিক্ষক হয়ে কীভাবে এরকম ঘৃণার কাজ করছে তা আমার জানা নেই। অন্যদিকে বন্দর থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজে নিয়ে দেখছি






