আপডেট: November 19, 2022
★★★…
পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দালালদের হামলার শিকার হয়েছি। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অনেক লিখেছি। এতে করে আমার শত্রু বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বন্ধুরও অভাব নেই আমার। তবে শত্রুরা হয়রানিসহ আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করবে। ইতিমধ্যে আমার বিরুদ্ধে কতিপয় দালাল মামলাও করেছে। ভূঁইফোড় একটি আন্ডারগ্রাউন্ড অনলাইন পোর্টালে আমি সহ আমার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। যা আমলে নেয়নি প্রশাসন। কারণ প্রশাসনের উর্ধ্বস্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের ওঠাবসা। তারা জানেন আমি সৎ চরিত্রের অধিকারী। তবে আমি কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেই না। দালাল,দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীদের কাছে আমি একটা মূর্তিমান আতঙ্ক। এককথায় অপরাধীদের কাছে কলম সৈনিক। আমি বরিশাল র্যাব-৮ ও শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কতৃপক্ষকে দালাল নিধনে সহায়তা করেছিলাম। এখনও করছি। তৎকালীন বরিশাল থেকে প্রকাশিত দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকায় আমি কর্মরত ছিলাম। সেই পত্রিকার একটি সংবাদ শিরোনাম ছিলো ” ভিক্ষুকের টাকা চুরি করলো আব্বাস দালাল”। এরপর ওই পত্রিকায় “শেবামেক হাসপাতালে দালাল চক্র বেপরোয়া” শিরোনামে আমার একটি রিপোর্ট ছাপা হয়। রিপোর্টে আব্বাস দালালসহ অনেকের নাম উল্লেখ করা হয় (পত্রিকা আমার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে)। রিপোর্টের সূত্র ধরে তৎকালীন বহিঃবিভাগের ডাঃ রেজোয়ানুর আলম রায়হান হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডাঃ সিরাজুল ইসলামের শরণাপন্ন হন। র্যাবের সহায়তায় সাবেক পরিচালক ডাঃ সিরাজুল ইসলাম ও ডাঃ রেজোয়ানুর আলম রায়হান দালাল নিধনে অভিযান চালায়। এই অভিযানে দালালদের গডফাদার – আব্বাস দালাল এ্যারেস্ট হয়। এসময় পরিচালকের কক্ষে আব্বাস দালালকে দুই হাঁটু গেড়ে বসিয়ে রাখা হয়। প্রিয় পাঠক,সেই ছবি সংবলিত সংবাদ বরিশালের আআঞ্চলিক দৈনিক মতবাদসহ একাধিক পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রকাশ করা হয়। (ছবিসহ সংবাদ আমার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে)। নারী নির্যাতন মালায়ও সে কারাগারে ছিলো। হাসপাতাল প্রশাসন ও র্যাবের যৌথ অভিযানে আব্বাস দালাল আটকের পর তার গ্রামের বাড়ীতে ভোলা জেলায় পালিয়ে যায়। এই ভোলাইয়া আব্বাস ফের বরিশালে ফিরে নাম পরিবর্তন করে এম.ডি সজীব নামে নিজেকে জাহির করে। তার আরেক ছদ্মনাম নাম ডাঃ আসাদ। আবার দুলাল নামেও অনেকে চিনেন তাকে। বর্তমানে আমি আব্বাস দালালের আদ্যপান্ত তুলে ধরার চেষ্টা করছি। এমন খবর টের পেয়ে সে আমাকে বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তার অনুসারীরাও নাটকীয় মামলায় আমাকে ঘায়েল করার চেষ্টা করছে। আমার পাশে সাংবাদিক বন্ধুরা রয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিক নেতারা আমাকে দালালদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে উৎসাহ দিচ্ছেন। তাদের অনুপ্রেরণায় ঘূর্ণিঝড় সিডরের গতিতে আমি সামনের দিকে ধাবিত হচ্ছি। সে দালালদের গডফাদার আব্বাস হোক-আর গাবগাছ হোক,আমি মূল শেকড়সহ উপড়ে ফেলবো। প্রিয় পাঠক, দেখবেন আমার এই লেখা কপি করে আব্বাস দালাল তার ফেইসবুক আইডিতে প্রকাশ করবে। শুধু আমার নাম পরিবর্তন করে তার নাম বসিয়ে নিবে। এর আগেও সে আমার লেখা কপি করেছে। তার এম.ডি সজীব নামে একটি ফেইসবুক আইডি চলমান রয়েছে। এমন খারাপ কাজ করলে এবার স্ক্রিনশট দিয়ে আপনাদের নজরে আনবো বিষয়টি। তাছাড়া আব্বাস দালাল একজন মূর্খ মানুষ। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সে শিক্ষিত নয়। যতদূর জানা গেছে সে ৫ ক্লাস,পাশ। যে কারণে সে কাট কপি পেস্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে….।






