আপডেট: November 22, 2022
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মুলাদী পৌরসভা এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন খানের ছেলে এনায়েত হোসেন খানের (রিমন) মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মুলাদী থানার ওসি মাকসুদুর রহমান। তিনি আরও বলেন হামলার বিষয়ে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে হামলায় গুরুতর আহত এনায়েতকে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। শেবামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এনায়েত হোসেন বলেন, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মুলাদী বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে আমি বাসায় ফিরছিলাম। এসময় মোটরসাইকেল থামিয়ে মুখমণ্ডল কাপড় দিয়ে পেচানো এক যুবক প্রথমে মাথায় দোনালা বন্দুক ঠেকিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। পরে অন্য সন্ত্রাসীরা আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তাদের মুখে কাপড় পেচানো ছিল না। যে কারণে আমি তাদের অনেককে চিনতে পেরেছি। এসব সন্ত্রাসীরা হলো সাকিন রাড়ি,অনিক রাড়ি,সাইফুল বেপারি, সোহেল রাড়ি,আদনান রাড়ি,মনির সরদার, তানভীর রাড়ি,অভি,রোটন,মিজান দেওয়ান,জাকির গাজী, ইউসুফ খান,কাওসার মোল্লা, লিঙ্কন হাওলাদার, সাহাদতসহ ৪/৫ জন যুবক। হামলার একপর্যায়ে আমাকে মৃত ভেবে তারা পালিয়ে যায়। অন্যদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন খান বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। সোমবার রাতেই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মুলাদী থানায় আমরা এজাহার করতে গিয়েছিলাম। তদন্ত শেষে এজাহার গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে
মুলাদী থানার ওসি মাকসুদুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






