শেবামেক লেডিস হোস্টেলে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে শ্রমিককে মারধর !

আপডেট: December 4, 2021

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন ডক্টরস লেডিস হোস্টেলে ছাত্রীর গোসল করার দৃশ্য দেখার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে এক শ্রমিককে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।গুরুতর আহত শ্রমিক আঃ হালিমকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। হালিম মঠবাড়ীয়া উপজেলার আঃ মন্নানের ছেলে। নির্মান শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সুবাদে বরিশাল নগরীরর কাজীপাড়া এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করে হালিম। জানা গেছে, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন ডক্টরস লেডিস হোস্টেলের সংস্কার কাজ চলছিলো। এসময়ে রাজমিস্ত্রী হালিম লেডিস হোস্টেলের ওয়াশ রুমে হাতমুখ ধুতে যায় । ওয়াশ রুমে হাতমুখ ধুতে যাওয়ার কারনে রাজমিস্ত্রী হালিমের সঙ্গে এক ছাত্রীর তর্ক হয়। পরে ওই ছাত্রী তার গোসল করার দৃশ্য দেখার মিথ্যা অপবাদ হালিমের কাধে চাপিয়ে দেয়। একপর্যায়ে ওই ছাত্রী পশের ছাত্র হোস্টেলে খবর দিয়ে উগ্র ছেলেপান নিয়ে আসে। এসময়ে ওই ছাত্রীর গোসলের দৃশ্য দেখার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে রাজমিস্ত্রী হালিমকে বেধরক মারধর করা হয়। মারধরে অংশ নেয় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ৪৭ তম ব্যাচের ছাত্র শাকিল,অভি সহ ১০/১২ জন যুবক। হামলায় আহত রাজমিস্ত্রী হালিমকে উদ্ধার করে শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে আহত অবস্থায় শ্রমিক হালিম বলেন,শুক্রবার লেডিস হোস্টেলের সংস্কার কাজ করছিলাম। এসময়ে আমি লেডিস হোস্টেলের ওয়াশ রুমে হাতমুখ ধুতে যাই । ওয়াশ রুমে হাতমুখ ধুতে যাওয়ার কারনে আমার সঙ্গে এক ছাত্রীর তর্ক হয়। পরে ওই ছাত্রী তার গোসল করার দৃশ্য দেখার মিথ্যা অপবাদ আমার কাধে চাপিয়ে দেয়। একপর্যায়ে ওই ছাত্রী পাশের ছাত্র হোস্টেলে খবর দিয়ে উগ্র ছেলেপান নিয়ে আসে। এসময়ে ওই ছাত্রীর গোসলের দৃশ্য দেখার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে বেধরক মারধর করে কলেজে ছাত্র শাকিল,অভিসহ ১০/১২ জন যুবক। মারধরে আমার একটি হাত ভেঙে গেছে। এমনকি হাসপাতালে আমি ঠিকমত চিকিৎসাও পাচ্ছি না।
এদিকে লেডিস হোস্টেলে সংস্কার কাজের ঠিকাদার ও সোহেল এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী শাকিল হোসেন জানান,আমার শ্রমিককে কি কারনে মারধর করেছে জানতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কতিপয় ছাত্রদের উগ্র আচরণে তা জানা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া শ্রমিক হালিম ৭/৮ দিন যাবত কাজ করছে। এর আগে তার চরিত্র সম্পর্কে কোনো বাজে মন্তব্য শুনিনি।
অন্যদিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ মনিরুজ্জামান শাহিন বলেন,নির্মাণ শ্রমিককে মারধরের অভিযোগটি গুরুতর। আমি তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শিকদার মাহাবুব