আপডেট: December 8, 2021
শিকদার মাহাবুব
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অমান্য করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালের ট্রেস কর্ণার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণ হ্রাস পেলেও সকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সম্প্রতি বরিশালে করোনা সংক্রমণ হ্রাস পাওয়ায় এই হাসপাতালের ট্রেস কর্ণার বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে দেশে ওমিক্রন সনাক্ত হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মধ্যে ফের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পাশাপাশি রোগী ও দক্ষিণাঞ্চলের সচেতন মানুষের মধ্যে এ নিয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। জানা গেছে, শেবামেক হাসপাতালের এই ট্রেস কর্ণারে করোনা উপসর্গ রোগীদের ভর্তি ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার তথ্য প্রদান করা হয়। করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীরা প্রথমে জরুরী বিভাগে ভর্তি হওয়ার জন্য টিকিট ক্রয় করেন। পরে এসব রোগীরা কোথায় যাবেন ? এমন প্রশ্ন নিয়ে ঘুরপাক খায় রোগীরা। রোগীরা যাতে ভোগান্তিতে না পড়ে সে লক্ষ্যেই ট্রেস কর্ণার চালু করা হয়। করোনা মহামারির মধ্যবর্তী সময়ে রোগীদের সুবিধার্থে এই ট্রেস কর্ণার চালু করা হয়েছিল। কিন্তু গত মাসের ১৩ নভেম্বর হঠাৎ হাসপাতালের ট্রেস কর্ণার বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে কি কারণে ট্রেস কর্ণার ২৩ দিন আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তা হাসপাতালের অধিকাংশ কর্মকর্তা জানেন না। এদিকে জানা গেছে, গত একমাসে গড়ে ১২ জন করোনা রোগীকে করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। অন্যদিকে হাসপাতাল পরিচালক এইচ.এম.সাইফুল ইসলাম বলেন, করোনা সংক্রমণ হ্রাস পাওয়ায় হাসপাতালের ট্রেস কর্ণার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি এখানকার চিকিৎসকদের সরিয়ে নিয়ে অন্য ওয়ার্ডে ডিউটি দেওয়া হয়েছে। পরিচালক এইচ.এম.সাইফুল ইসলাম আরও বলেন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে হাসপাতালের ট্রেস কর্ণার ফের চালু করা হবে।






