আপডেট: October 21, 2024
স্টাফ রিপোর্টার: বরিশাল শেরে বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার হাফেজ আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জন কর্মচারী। ওয়ার্ড মাস্টার হাফেজ আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান বরাবর লিখিতভাবে প্রতিবাদ জানাবেনল ওই ৩৮ জন কর্মচারী। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবাদলিপি এ প্রতিবেদকের হাতে এসে পৌছেছে। প্রতিবাদলিপিতে হাসপাতাল কর্মচারী সাইফুল, এসএম জিয়াউর রহমান, সহিদ,সঞ্জয় হাওলাদার, বেল্লাল হোসেন, মোঃ ইমরান,নাসিমা,ফারজানা, সাহনাজ,অলি উল্লাহ, জোৎস্না বেগমসহ অন্যান্য কর্মচারীরা সাক্ষর করেছেন।
কর্মচারীদের ওই প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়,দুর্নীতিগ্রস্থ আওয়ামী লীগের দোসর ওয়ার্ড মাস্টার রাশেদের শাস্তিমূলক বরগুনা হাসপাতালে বদলি হওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারছে না। যেকারণে ওয়ার্ড মাস্টার হাফেজ আবুল কালাম আজাদকে তার পদ থেকে সরানোর জন্য ষড়যন্ত্রের পায়তারা করছে তারা। ফের দুর্নীতিবাজ ওয়ার্ড মাষ্টার রাশেদকে স্বপদে বহাল রাখতে চাইছে এখন রাশেদের অনুসারীরা। তার অনুসারী দালাল কর্মচারীরা বর্তমানে একাট্টা হয়েছে। পূর্বে এসব দালাল কর্মচারীরা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করলেও এখন ভোল পাল্টে বিএনপির লোগো লাগিয়ে হাসপাতালের রোগী ও স্বজন ও কর্মচারীদের কাছে গিয়ে চাঁদাবাজি করছে। বেতনভাতার বৈষম্যের কথা বলে সহজসরল কর্মচারীদের কাছ থেকে ভুল বুঝিয়ে কালামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষয়ে স্বাক্ষর নিয়েছে। কিন্তু ওয়ার্ড মাস্টার হাফেজ আবুল কালাম আজাদ একজন কোরআনের হাফেজ। তার আচার-আচরণ ভালো। তিনি একজন সৎ ও কর্মঠ মানুষ। সে কখনও রোষ্টার বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলো না। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে তারা। ওই ৩৮ জন কর্মচারী এসব মিথ্যা, ভুয়া ও ভিত্তিহীন অভিযোগটি প্রত্যাহার ও তা থেকে ওয়ার্ড মাস্টার হাফেজ আবুল কালাম আজাদকে মুক্ত করার দাবী জানিয়েছেন।
এদিকে ওয়ার্ড মাস্টার হাফেজ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হাসপাতালের ৩৮ জন কর্মচারী লিখিতভাবে স্বাক্ষরের মাধ্যমে
প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ওই প্রতিবাদলিপি হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক স্যার বরাবর দেওয়া হবে।






