আপডেট: March 6, 2022
স্টাফ রিপোর্টার
বরিশাল নগরের বাজার রোডে সুমি আক্তার নামে এক গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নগরের বাজার রোডে বোনের বাসায় থেকে বাল্য জীবন কাটায় সুমি। পরে সুমির বিয়ে হয় শরিয়তপুর জেলার নরিয়া থানাধীন পাচগাও গ্রামের রুহুল আমিনের সঙ্গে। রুহুল আমিন ওই গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিন শৈয়ালের ছেলে। ২০১৫ সালে বিয়ে হলেও সুমির দাম্পত্য জিবন শরিয়তপুরে ভালই কাটছিলো। কিন্তু স্বামী রুহুল আমিনের বিদেশ যাওয়ার জন্য চাপে পড়ে ৫ লক্ষ টাকা দিতে হয় সুমিকে। কিন্তু ফের ৩ লক্ষ দাবি করে স্বামী রুহুল আমিন। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ার কারনে সুমিকে শ্বশুড়বাড়ি থেকে বারিশালে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি বরিশালে আসে সুমির শ্বশুড়ালয়ের লোকজন। একপর্যায়ে বাজার রোডের বাসায় সুমিকে গলায় গামছা পেচিয়ে ফাস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে স্বামী রুহুল আমিন,দেবর আবুল বাশার,জা সুমা বেগম ও শ্বাশুড়ী কুলসুমা বেগম। এছাড়াও গৃহবধূ সুমির মুখ ধারালো চাকু দিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে স্বামী রুহুল আমিন। এসময়ে আহত অবস্থায় সুমিকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুহুল আমিনের কোন কক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এএসআই তরুণ চক্রবর্তী বলেন,‘বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে রুহুল আমিন প্রায়ই সুমির কাছে টাকা চাইতো। আর তার দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় গৃহবধূ সুমির ওপর নির্যাতন করতো। রুহুল আমিনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল করেছিলাম,কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি’।






