আপডেট: September 17, 2026
গলাচিপা প্রতিনিধি ::: পটুয়াখালীর গলাচিপায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই দ লের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে কালিকাপুর একাদশ ও মাটিভাঙ্গা চ্যালেঞ্জ একাদশের মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা চলছিল। কালিকাপুর একাদশ এক গোলে এগিয়ে ছিল। খেলা শেষ হওয়ার প্রায় ১০ মিনিট আগে দুই দলের দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।
স্থানীয়রা জানান, একপর্যায়ে কালিকাপুর একাদশের টিম লিডার মিরাজ খানকে অপর দলের টিম লিডার রাকিব তালুকদারের লোকজন ইট দিয়ে মুখে আঘাত করেন। এরপর সংঘর্ষ মাঠ ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দুই পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন।
আহতদের মধ্যে মিশন খান (২৭), জলিল খান (৬০), মজিবর প্যাদা (৪৮), লাল মিয়া (৫২), বেল্লাল মুন্সি (২৭), রাসেল গাজী (৩২), হান্নান মৃধা (৬০), কামাল (৪৫), সাইফুল কাজী, সানাউল্লাহ (২৮), আবুল হাওলাদার (৬০), শাকিল (২৫), রাখাইন ডিস্কো, জাকির হোসেন (৩৫), কবির হোসেন (৩৮), আলমগীর হোসেন (৩৭), আরিয়ান তালুকদার (১৮), মানিক (২৫) ও রনি রয়েছেন।
সংঘর্ষে আপন দুই ভাই মিরাজ খান (৩০) ও মিশন খান (২৭) গুরুতর আহত হন। গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মিরাজ খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
এ ঘটনায় মিরাজের বাবা আবুল হোসেন খান বাদী হয়ে গলাচিপা থানায় মামলা করেন। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে রতনদীতালতলী ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ফুটবল খেলা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক কামাল মৃধা বলেন, চাইনিজবার ফুটবল টুর্নামেন্টে ৩২টি দল অংশ নিয়েছে। বুধবারের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য মাটিভাঙ্গা চ্যালেঞ্জ একাদশ দায়ী। তাদের কারণে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এমনকি খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যদেরও মারধর করা হয়েছে।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত করে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






