শিরোনাম
কলাপাড়ায় ব্ল্যা/ক/মে/লে/র অভিযোগে ভ/ন্ড কবিরাজ গ্রে/প্তা/র বাউফলে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শাহাবুদ্দিন নি/খোঁ/জ! মিলছে না সেবা . . মেহেন্দীগঞ্জে খালের ওপর কোচিং সেন্টার : পাটাতন ভেঙে আ/হ/ত ৩০ পটুয়াখালীতে মোটরে বিদ্যুৎ-সংযোগ দিতে গিয়ে লাল মিয়ার মৃ/ত্যু কাঁঠালিয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই : গুঁ/ড়ি/য়ে দেওয়া হলো ইটভাটা বরগুনায় চরম ঝুঁ/কি/পূ/র্ন বেড়িবাঁধ : পলিথিন টাঙিয়ে ৪০ পরিবারের বসবাস বোরহানউদ্দিনে ছা/ত্র/লী/গে/র মিছিলে অর্থায়ন : যুবক গ্রেপ্তার পিপি হ/ত্যা মামলা : ঝালকাঠিতে মৃ/ত্যু/দ/ণ্ড/প্রা/প্ত আসামির আত্মসমর্পণ কলাপাড়ায় ঝাড়ফুঁকের নামে কি/শো/রী/র সঙ্গে পুংপাং : মামলা দায়ের

মেহেন্দীগঞ্জে খালের ওপর কোচিং সেন্টার : পাটাতন ভেঙে আ/হ/ত ৩০

আপডেট: November 4, 2026

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

 মেহেন্দীগঞ্জ প্রতিনিধি
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জের কাজীরহাটে একটি কোচিং সেন্টারের কাঠের পাটাতন ভেঙে অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কাজীরহাট বাজারের পশ্চিম পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। তাদের স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার পর কোচিং সেন্টারের পরিচালক নিজাম উদ্দীন এলাকা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিভাবকেরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাজীরহাট বাজারের পশ্চিম পাশে রাস্তার ধারে খালের ওপর কাঠের পাটাতন দিয়ে তৈরি টিনশেডের একটি ঘরে কোচিং সেন্টারটি পরিচালিত হচ্ছিল। ঘরটির মালিক সন্তোষপুর গ্রামের কবির সরদার। সেখানে সন্তোষপুর নেছারিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার প্রভাষক নিজাম উদ্দীন তাঁর সহযোগীদের নিয়ে তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ইংরেজি, গণিত ও আইসিটি বিষয়ে পড়াতেন।

প্রতিদিনের মতো গতকাল মঙ্গলবার বিকেলেও সেখানে ক্লাস চলছিল। সন্ধ্যার দিকে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী ঘরটিতে উপস্থিত ছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ কাঠের পাটাতন ভেঙে পড়লে শিক্ষার্থীরা নিচে পড়ে যায়। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়। দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আহতদের মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির লাবিব, অষ্টম শ্রেণির তালেব ও পঞ্চম শ্রেণির মুসার অবস্থা তুলনামূলক গুরুতর। তাদের কাজীরহাট ইসলামিয়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্য আহত শিক্ষার্থীরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকেরা।

ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। খালের ওপর কাঠের পাটাতন দিয়ে তৈরি একটি ঘরে একসঙ্গে অর্ধশত শিক্ষার্থীকে পাঠদান করানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. মজনু ব্যাপারী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনায় পাঠদান করা উচিত হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

এ বিষয়ে কোচিং সেন্টার পরিচালনাকারী প্রভাষক নিজাম উদ্দীন বলেন, ঘরটির পাটাতনে কিছুটা সমস্যা ছিল। সংস্কারের জন্য ঘরমালিককে অনুরোধ করা হয়েছিল। তিনি সংস্কার না করায় দুর্ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীরা কিছুটা ভয় পেয়েছে, তবে কেউ গুরুতর আহত হয়নি।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
সম্পাদকঃ শিকদার মাহবুব