কাটাদিয়া খেয়াঘাটে যাত্রী পারাপারে অতিরিক্ত টাকা হাতাচ্ছে ইজারাদার সাইদুল…

আপডেট: July 13, 2022

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

রিপোর্ট, শিকদার মাহাবুবঃবাকেরগঞ্জ উপজেলার কাটাদিয়া খেয়াঘাটে যাত্রী পারাপারের ক্ষেত্রে ভাড়ার নামে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। এ নিয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে যাত্রী ও স্থানীয়দের মাঝে। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে ১নং চরামদ্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শাহাবুদ্দিন খোকন  বলেন,অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি বরিশাল জেলা পরিষদ কতৃপক্ষের ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি। যাত্রী পারাপারে কল্যাণের লক্ষ্যে খেয়াঘাটে একটি মূল্য তালিকা টানানো উচিত। ইজারাদার নিয়মনীতি উপেক্ষা করে অতিরিক্ত ভাড়া হাতিয়ে নিচ্ছে। যাত্রীদের লাঘব দুর্ভোগে আমি প্রশাসনকে জানিয়েছি ” এদিকে কাটাদিয়া খেয়াঘাটের যাত্রী আবুল হোসেন বলেন, নিয়মিত আমার কাছ থেকে ১০ টাকা করে ভাড়া নেয়। কেন ১০ টাকা করে ভাড়া নেয়?  আমি প্রশ্ন করলে বলা হয়, সরকার কতৃক মূল্য তালিকায় ১০ টাকা লেখা রয়েছে। তবে এখানে কোনোরকমের মূল্য তালিকার বোর্ড নেই। অন্যদিকে স্থানীয় যুবক রাহাত হোসেন বলেন, আমরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু কোনো সুফল পাইনি। এক্ষেত্রে আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। জানা গেছে, ১ বছরের জন্য কাটাদিয়া খেয়াঘাট ইজারা নেয় সাইদুল। সাইদুল ও তার সহযোগী সেলিম,কামাল,সোহেল,সুধীরসহ ১০/১২ জন যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া হাতাচ্ছে। এছাড়া মোটরসাইকেল ৩০ টাকা,ভ্যান ১০০-২০০টাকা,যেকোনো ব্যাগ বা বস্তা সাইজ অনুযায়ী ২০-৫০,পাইপ লোহা অথবা প্লাস্টিক ১৫০টাকা, গরুছাগল ১০০-১৫০ টাকা। এমনকি ফেরিতে মোটরসাইকেল ও ভ্যান পারাপার হলেও ৩০ টাকা আদায় করা হয়। কিন্তু ভাড়ি যানবাহন ফেরিতে পারাপার হলে কোনো টাকা নেয় না তারা। কথা হলে ইজারাদার সাইদুল বলেন, সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আমরাও খেয়া পারাপারের জন্য যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া আদায় করছি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের জন্য প্রশাসনের কোনো অনুমতি রয়েছে কিনা ?  এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ভবিষ্যতে আলোচনা করে মূল্য তালিকার বোর্ড টানানো হবে। প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা ব্যতিত কেন অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা (সংবাদকর্মী) সবকিছু বুঝেন ও জানেন।” এদিকে বিষয়টি নিয়ে কথা হলে বাকেরগঞ্জ  উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, “অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর ইজারাদারকে সতর্ক করা হয়েছে। তারপরও কথা না শুনলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শিকদার মাহাবুব