আপডেট: July 19, 2022
নগরের হরিনাফুলিয়ায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় গৃহবধূকে মারধর
স্টাফ রিপোর্টার
বরিশাল নগরের হরিনাফুলিয়া এলাকায় হামলার হাত থেকে নিজের স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এসময় আহত গৃহবধূকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতের নাম নুপুর আক্তার। ওই এলাকার রমজান হাওলাদারের স্ত্রী সে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুপুর আক্তার বলেন,মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে হাটাহাটি করার জন্য রাস্তায় বের হই। এসময়ে পলাশ নামে একটি ছেলে আমার চোঁখের ওপর টর্চের আলো ফেলে ধরে রাখে। এমনকি আমাকে কুরুচিপূর্ণ কথা বলে। বিষয়টি ঘরে ফিরে আমার স্বামীকে জানাই। আমার স্বামী ঘটনা জানতে পলাশের কাছে যায়। ঘটনা জানতে চাওয়ার কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার স্বামীকে মারধর করা শুরু করে। একপর্যায়ে স্বামীকে বাঁচাতে আমাকেও মারধর করে সে। নুপুর আক্তার আরও বলেন, পলাশ সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য হওয়ার কারণে ঘটনা এখন ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ধর্মের দোহাই দিয়ে এখন আমাদের বিরুদ্ধে পার্শ্ববর্তী মন্দিরে হামলার অভিযোগ এনেছে। যা মোটেও ঘটেনি। প্রকৃতপক্ষে তারা নারী নির্যাতন মামলার হাত থেকে বাঁচার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তবে নারী ওপর হামলার ঘটনা অস্বীকার করে পলাশের নিকটাত্মীয় নেপাল হাওলাদার বলেন, “পলাশ কোনোরকমে তার ওপর নির্যাতন করেনি। উল্টো ওই মহিলা আমাদের ফাঁসাতে নিজেই নিজেকে জখম করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাছাড়া আমরা মুসলমানদের ওপরে হামলা করলে এতক্ষণে আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর তারা জ্বালিয়ে দিতো ।”
এদিকে স্থানীয় শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দিরের সভাপতি নিতাই ঘরামী বলেন, পত্রিকায় লেখালেখি করার মতো এখানে কিছু হয়নি।” অন্যদিকে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আজিমুল করীম বলেন, ওই এলাকার একটি মন্দিরের কাছাকাছি মারামারির ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।






