পুলিশ কনস্টেবল কাওছারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সেই তরুণী !

আপডেট: August 27, 2022

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

রিপোর্ট,শিকদার মাহাবুবঃবরিশালে পুলিশ কনস্টেবল কাওছার আহম্মেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করে বিপাকে পড়েছে অন্তঃসত্ত্বা তরুণী ফারজানা (ছদ্মনাম)। রীতিমতো অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যর পক্ষে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি-ধমকী দেওয়া হচ্ছে বাদী ও তার পরিবারকে। এমতাবস্থায় ন্যায় বিচার নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। অন্তঃসত্ত্বা তরুণী ফারজানা (ছদ্মনাম) বলেন, “আমি থানায় মামলা দায়ের করার পর থেকে পুলিশ সদস্যর পক্ষে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি-ধমকী দেওয়া হচ্ছে আমাকে ও আমার পরিবারকে। আমি ও আমার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।” এদিকে জানা গেছে, পুলিশ সদস্য কাওছার আহম্মেদের গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার আমড়াঝুড়ি গ্রামে হলেও গত জানুয়ারি মাস থেকে স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে বরিশাল নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ আলেকান্দা বুকভিলা গলিতে তার (বাদী) পিতার বাসার দোতলায় ভাড়া ওঠেন। এ সূত্র ধরে ওই তরুণীর সঙ্গে পরিচয় এবং কাওছার আহম্মেদের এক ব্যাচমেট পুলিশ সদস্যের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার কথা বলে সখ্য বাড়ান। তবে পর্যায়ক্রমে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কাওছার নিজেই ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। এক পর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।দুই মাস আগে তরুণীর অন্যত্র বিয়ে ঠিক হওয়ার পর অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর তাকে জানালে সে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। গত বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) কাওছার কীর্তনখোলার তীরে বধ্যভূমি এলাকায় রয়েছে খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তাকে আটক করেন তরুণী।
এসময় নিজেকে বাঁচাতে একপর্যায়ে কীর্তনখোলা নদীতে ঝাঁপ দেয় সে। কিন্তু ‘ধর্ষিত’ তরুণী তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে থানায় মামলা ঠুকে দেন। পরে মামলার বাদীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শিকদার মাহাবুব