বাবুগঞ্জে প্রায় ২ বছর চাল পায়নি ২৮ জেলে!

আপডেট: February 19, 2023

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

 

স্টাফ রিপোর্টার
জেলে কার্ড থাকলেও প্রায় ২ বছর চাল পাচ্ছে না ২৮ জন মৎস্যজীবী। বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিক ওরফে পাইপ সিদ্দিক ও মেঘিয়া মেম্বার বশিরের যোগসাজশে এমন ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে বিভিন্ন সময় মাছ ধরা বন্ধসহ সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার সময় যেসব সহায়তা দেওয়া হয় সেসবেরও কিছু পাচ্ছেনা ওই ইউনিয়নের ২৮ জন মৎস্যজীবী। আবার যাদের তালিকায় নাম নেই তারাও সরকারি সহায়তা পাচ্ছে এমনই অভিযোগ করেছেন মেঘিয়া গ্রামের একাধিক মৎস্যজীবী চেয়ারম্যান ও মেম্বারের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে দেখা গেছে,বিগত প্রায় ২ বছর ওই ইউনিয়নে চাল পায়নি ২৮ মৎস্যজীবী। প্রত্যেক জেলেকে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা। কিন্তু ২৮ জেলের চাল চেয়ারম্যান ও মেম্বার আত্মসাত করেছেন।

মেঘিয়া গ্রামের জেলে বক্কর সিকদার ও রুস্তম আলী সিকদার বলেন দুই মাসে আমাদের ৮০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা বলেছে সরকার। বিগত ২ বছরে ইউনিয়ন পরিষদে চাল না দিয়ে চেয়ারম্যানের মনগড়া তালিকা অনুযায়ী নিজ এলাকায় চাল বিতরণ করেন তিনি।

একই এলাকার জেলে হোসেন ফরাজি, সামসের আলী,জব্বার সিকদার,মোস্তাক ফরাজি, সাদেক সিকদার,বাচ্চু সিকদার,মোঃ কাওসার হোসেন,মোঃ সুলতান সিকদার,সামিম সিকদার,বেল্লাল ফকির, আব্দুল আলী সিকদার, হানিফ সিকদার, আনোয়ার হোসেন, মোঃ ইব্রাহিম সিকদারসহ আরও অনেকের নাম আছে জেলে তালিকায়। তবুও তারা খাদ্য সহায়তার চাল পাননি। তারা অভিযোগ করেন, পাইপ সিদ্দিক চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকেই আমাদের চাল দেওয়া হচ্ছে না। চেয়ারম্যান ও মেম্বার জালিয়াতি করে একাধিক জেলে কার্ডে শুধুমাত্র ছবি এডিট করে অন্য লোকদের চাল দিচ্ছে। এদিকে বক্কর সিকদার নামে এক জেলে বলেন, মনে হয় পাইপ সিদ্দিক পাইপ দিয়ে আমাদের চাল চুরি করে নিয়ে গেছে। খুব শীঘ্রই আমরা চেয়ারম্যান ও মেম্বারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করবো। এদিকে মেঘিয়া গ্রামের মেম্বার মোঃ বশির বলেন, সামনের ধাপে এদেরকে পালাক্রমে চাল দেওয়া হবে। অন্যদিকে চেয়ারম্যান সিদ্দিক বলেন,সরকার তালিকা অনুযায়ী চাল দেয় নাই। যে কারণে অনেক জেলে চাল পাচ্ছে না। তবে ২ বছর যাবত চাল না পাওয়ার কোনো অভিযোগ আমার কাছে আসেনি।

 

 

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শিকদার মাহাবুব