আপডেট: June 6, 2023
রিপোর্ট,শিকদার মাহবুবঃ কথা রাখলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক তিন কাউন্সিলর। এরা হলেন- সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আকবর,সাবেক কাউন্সিলর সাইদুর রহমান মামুন ও সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ জামাল হোসেন নোমান। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) হাইকমান্ডের নির্দেশ মোতাবেক এসব কাউন্সিলররা বিসিসি নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। তবে এরা কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারী। দলের প্রতি শ্রদ্ধা আর কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের প্রতি ভালোবাসায় কমতি নেই যেন তাদের। শুধু নির্বাচন নয়,যেকোনো ত্যাগ শিকার করতে পারেন তারা দলের জন্য। নির্দেশ মোতাবেক কাজ করার কারণে
হাইকমান্ডে ইতিমধ্যে এসব কাউন্সিলরদের একটি ক্লিন ইমেজ তৈরী হয়েছে। তবে হাইকমান্ড বিএনপির ১৮ জন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও ১ জন মেয়রপ্রার্থীসহ ১৯ জনকে দল থেকে বহিষ্কার ও মীর জাফর আখ্যা দিয়েছে। কারণ এই ১৯ জন পদপ্রার্থী হাইকমান্ডের নির্দেশ অমান্য করে বিসিসি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। কথা হলে বিসিসির ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আকবর বলেন, “আমার কাছে নির্বাচন বড় নয়। দলের সিদ্ধান্ত সবচেয়ে বেশি দামী। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার ভাই এমন প্রহসনের নির্বাচনে অংশ নিতে নিষেধ করেছেন। আমরা সরোয়ার ভাইর কমান্ডের সৈনিক”। এদিকে দেখা গেছে, ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী কাউন্সিলর মাইনুল হক গতকাল তার মনোনয়ন ফরম প্রত্যাহার করেছেন। তবে তিনি সরোয়ার অনুসারী নয়। মাইনুল হক বলেন,বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে দলের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালবাসা রেখে দলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিসিসির নির্বাচন ও ভোট বর্জনের লক্ষ্যে আমার মনোনয়ন ফরম প্রত্যাহার করেছি।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, “যারা প্রহসনের নির্বাচনে অংশ নেয়নি তারা দলকে ভালোবাসার প্রতিদান দিয়েছে। তবে এসব কাউন্সিলরদের কেউ কেউ আমার অনুসারী সে কথাও সত্য। এমন অবৈধ নির্বাচন থেকে সরে আসায় তাদের ওপর আমার আস্থা আরও বাড়লো। তাছাড়া মেয়রপ্রার্থীসহ মোট ১৯ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা আমার অনুসারী কেউ নয়।”






