আপডেট: June 12, 2023
রিপোর্ট,শিকদার মাহবুবঃ নির্বাচনে হেরে যাওয়ার কারণে পরাজিত প্রার্থী ও তার সমর্থকদের হামলায় একই পরিবারের ৫ জনকে পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় টিয়াখালী নমসূদ্ধপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময়ে ৩টি ঘর ভাংচুর করা হয়। হামলায় আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন- আরিফুল ইসলাম ফাহাদ,মাজেদুল হাসান কৌশিক, আহাদুল ইসলাম তাজ,জোহরা বেগম,জাহানারা আক্তার। এদের মধ্যে আহাদুল ইসলাম তাজ,জোহরা বেগম,জাহানারা আক্তারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরিফুল ইসলাম ফাহাদ বলেন,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২৩নং ওয়ার্ডের বিজয়ী প্রার্থী কাউন্সিলর এনামুল হক বাহারের পোলিং এজেন্ট হিসেবে পশ্চিম সাগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমি দায়িত্ব পালন করে নিজ বাসায় ফিরছিলাম। এসময় পথিমধ্যে আমার ও নৌকা মার্কার পোলিং এজেন্ট মাজেদুল হাসান কৌশিকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় তারা। পরাজিত প্রার্থী শাহিন খান আজাদ, তার ভাই মিন্টু খান ওরফে ফেন্সি মিন্টু,সহিদ ওরফে ফল সহিদ,মুনসুর, রিয়াজ,মাসুদ, আব্দুল্লাহ,শুভ,বাছেদসহ ২০/২৫ জন যুবক আমাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে পেটায়। এমনকি হামলার হাত থেকে আমাদেরকে বাঁচাতে অন্যারা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও পেটানো। পরে আমাদের বসতঘরও ভাংচুর করে তারা। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান আহত আহাদুল ইসলাম তাজ। তিনি বলেন, আমরা চিকিৎসা শেষে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবো। তবে ঘটনায় প্রতিপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে নবনির্বাচিত কাউন্সিলর এনামুল হক বাহার বলেন, নির্বাচনে হেরে যাওয়ার কারণে পরাজিত প্রার্থী শাহিন খান আজাদ ও তার সমর্থকরা এ হামলা চালায়।






