আপডেট: June 20, 2023
স্টাফ রিপোর্টারঃ
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা সার্জারী ওয়ার্ডে কর্তব্যরত ৩ জন নার্স ও ৩ জন আয়ার বিরুদ্ধে পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কমলা বেগম নামে এক ভুক্তভোগী রোগী। গতকাল সোমবার দুপুরে এ অভিযোগ দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিচালক ডাঃ এইচ.এম. সাইফুল ইসলাম। পরিচালক ডাঃ এইচ.এম. সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “টাকার বিনিময়ে রোগীর ছাড়পত্র লুকিয়ে রাখবে তা সহ্য করা হবে না। এসব কাজে যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ” এদিকে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কমলা বেগমের গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলায়। গত ১৪ জুন চিকিৎসার জন্য তিনি হাসপাতালের মহিলা সার্জারী ইউনিটে (১) ভর্তি হন। গত ১৭ জুন দুপুরে হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়। কিন্তু আয়াদের দাবীকৃত ৫০ টাকা না দেওয়ার কারণে ছাড়পত্র লুকিয়ে রাখা হয়। অভিযোগে কমলা বেগম বলেন, দুপুর থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত আমাকে হয়রানি করা হয়। বলা হয় আপনার ছাড়পত্র চিকিৎসকরা দেয়নি। অতঃপর একযোগে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে মহিলা সার্জারী ওয়ার্ডের আয়া রীনা,চায়না ও মালা। তারা খারাপ আচরণ করায় ওয়ার্ডে কর্তব্যরত নার্সদের কাছে যাই আমি। নার্স হালিমা আক্তার,স্বর্না আক্তার ও কবিতা হালদারের কাছে ছাড়পত্র চাওয়ায় তারাও আমার সাথে টালবাহানা করে। একপর্যায়ে সংবাদকর্মীরা আমার পক্ষ হয়ে খাতায় স্বাক্ষর করলে আমার ছাড়পত্র ফিরে পাই। সংবাদকর্মীদের আমি দোয়া করি তারা যেন অসহায় রোগীদের পাশে এসে দাড়ায়। অন্যদিকে পরিচালক ডাঃ এইচ.এম. সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “টাকার বিনিময়ে রোগীর ছাড়পত্র লুকিয়ে রাখবে তা সহ্য করা হবে না। এসব কাজে যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ”






