আপডেট: October 23, 2023
রিপোর্ট,শিকদার মাহবুব::
বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের তুলাতলা গ্রামে বসবাস করেন রিকশাচালক জাফর। তার বাবার নাম মৃত ইয়াকুব আলী হাওলাদার। পূর্ব শত্রুতা ও প্রতিহিংসার কারণে রিকশাচালক জাফরের পরিবারের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা দায়ের করেছে প্রতিপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে প্রতিবেশী মোঃ নাসিরের ছেলে গোলাম রাব্বি। মামলার অভিযোগে বলা হয় বেআইনি ভাবে রাব্বিকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। কিন্তু মামলার নথিতে ডাক্তারের একটি প্রেসক্রিপশনও সংযুক্ত করা হয়নি। এই মামলায় আসামি করা হয় রিকশাচালক মোঃ জাফর হাওলাদার, তার স্ত্রী হালিমা বেগম,ছেলে মোঃ ইমাম হাওলাদারকে। এছাড়াও জাফরের ভাই মোঃ কবির হাওলাদার,তার স্ত্রী রেহেনা বেগম ও ছেলে রমজান হাওলাদার ও মুজাফফের হাওলাদারের ছেলে মোঃ মিলন হাওলাদার এই মামলার আসামি। তাদের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের করে গোলাম রাব্বির দোকানের কর্মচারী মোঃ মনির সিকদার। মনিরও একই বাড়িতে বসবাস করে। মনিরের বাবার নাম মৃত বারেক। মনিরের দায়েরকৃত জিআর মামলার নথিতে দেখা যায়, তাকেও(মনির বেআইনিভাবে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। এখানেও আসামি করা হয় রিকশাচালক মোঃ জাফর হাওলাদার, তার ছেলে মোঃ ইমাম হাওলাদার, মোঃ কবির হাওলাদার,তার ছেলে রমজান হাওলাদার ও মোঃ মুনসুর হাওলাদারের ছেলে মোঃ লিটন হাওলাদারকে। চলতি মাসের ২ অক্টোবর মনির বন্দর থানায় জিআর মামলা করে। ২ অক্টোবরই মনির ফের রিকশাচালক পরিবারকে হয়রানি করতে আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করে। যার এমপি মামলা নং ১০৮/২৩। এর আগে মনির তার স্ত্রী সাথী আক্তারকে দিয়ে আরেকটি মামলা দায়ের করে ওই পরিবারের বিরুদ্ধে। যা চলমান রয়েছে। এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাম রাব্বির বাবা বরিশাল শহরের একজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী। তার নাম বশির মৃধা। থানা পুলিশকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে এসব মামলা দায়ের করাচ্ছেন সে। তবে থানা পুলিশের এমন নাটকীয় মামলায় রিকশাচালক তার রিকশা বিক্রি করে ইতিমধ্যে ১টি মামলায় আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন। কথা হলে রিকশাচালক মোঃ জাফর হাওলাদার বলেন,
দুঃখের বিষয় এটাই নাটকীয় মামলায় জামিন পাওয়ার জন্য আমার রিকশা বিক্রি করতে হয়েছে। পাশাপাশি অসুস্থ মা’কে ঘরে রেখে সবাই পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এমনকি আমার ও আমাদের পরিবারের ওপর হামলা করলেও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেয়নি থানায়। উল্টো পুলিশ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা গ্রহণ করেছে। ভুক্তভোগী রিকশাচালকের ভাই মোঃ কবির হাওলাদার বলেন, হামলার শিকার হয়ে আমরা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। কিছু পত্রিকায় সংবাদও ছাপা হয়েছে। হাসপাতালের ছাড়পত্র নিয়ে থানায় গেলাম তাও আইনি সহায়তা পাইনি। আমি ও আমার পরিবার এক্ষেত্রে উর্ধতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।






