বরিশালে একাধিক ছেলের সঙ্গে শারীরিক মেলামেশায় লিপ্ত এআরএস স্কুলের এক ছাত্রী

আপডেট: November 2, 2023

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার::
বরিশালে একাধিক ছেলের সঙ্গে শারীরিক মেলামেশার অভিযোগ পাওয়া গেছে এআরএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে। বরিশাল শহরের আমতলার মোড় এলাকায় অবস্থিত ওই স্কুলের ছাত্রীর নাম রাইসা(ছদ্মনাম)। শহরের সাগরদী আলআকসা মসজিদ সংলগ্ন কাউন্সিলর গলিতে বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস করে সে। তার বাবা মোস্তাফিজুর রহমান (ছদ্মনাম) একটি এনজিওতে চাকুরী করেন। মা হাসী আক্তার (ছদ্মনাম)
একজন গৃহিণী। অভিযোগ রয়েছে বাবা-মায়ের একমাত্র কন্যা হওয়ার কারণে বড় বেপরোয়া হয়ে গেছে রাইসা।রাইসার সঙ্গে শহরের পলাশপুর এলাকার বাসিন্দা ফিরোজের ছেলে অনিকের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সম্পর্ক তাদের মধ্যে শারীরিক মেলামেশায় রুপ নেয়। একটি ছাউনিযুক্ত ট্রলার ভাড়া করে শহরের কীর্তনখোলা নদীতে তারা স্বেচ্ছায় শারীরিক মেলামেশা করে। কিন্তু অনিক ও তার পরিবারকে ফাঁসানোর জন্য রাইসার পরিবার বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা (জিআর ২১/২২) দায়ের করেন। ওই ধর্ষণ মামলায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অনিককে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় থানার তদন্ত ওসি আমানুল্লাহ বারী। এদিকে মামলায় অনিক গ্রেফতার হলে মোটা অংকের টাকা ও রাইসাকে বিয়ে করার চুক্তিতে জামিন পায় সে। অনিকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সায়েম-উল-আলম রিপন বলেন, “ফরেনসিক রিপোর্টে অনিকের ডিএনএ- তে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি পরীক্ষা করার সময় রাইসার বক্তব্যে বলা হয়, স্বেচ্ছায় সে মেলামেশায় লিপ্ত হয়েছে। তারপরও পুলিশ কিভাবে ধর্ষণ মামলা গ্রহণ করলো আমার বোধগম্য নয়।তাছাড়া রাইসার ফরেনসিক রিপোর্টে বলা হয়েছে টু ফিঙ্গার। অর্থাৎ রাইসা একাধিকবার, একাধিক ছেলের সঙ্গে শারীরিক মেলামেশায় লিপ্ত ছিলো। “অন্যদিকে রাইসার সঙ্গে শারীরিক মেলামেশায় লিপ্ত রয়েছে তানজিল নামে আরেকটি ছেলে। তানজিলের ব্যবহৃত মোবাইলে এমন কিছু অশ্লীল ছবিও পাওয়া গেছে। এমনকি তানজিল রাইসার সঙ্গে শারীরিক মেলামেশার কথা স্বীকার করেছে। এদিকে মা হাসী আক্তার বলেন, “একাধিক ছেলের সঙ্গে শারীরিক মেলামেশায় লিপ্ত ছিলো রাইসা।তবে এখন আমি রাইসাকে ঘরবন্দী করে রেখেছি। কোথাও যেতে দিচ্ছি না।কান্নাকাটি করে হাসী আক্তার বলেন দয়া করে আপনারা (সংবাদকর্মীরা) এই সংবাদ ছাপাবেন না।” তবে রাইসা আক্তার তার সব দোষ স্বীকার করে বলেন, ভবিষ্যতে আমি এ ধরনের নোংরা কাজ আর করবো না।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শিকদার মাহাবুব