আপডেট: October 26, 2024
স্টাফ রিপোর্টার::পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি বাসস্ট্যান্ডে
এক ব্যবসায়ীকে চেয়ার দিয়ে পেটানোর ঘটনায় এএসআই বশিরের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ ইলিয়াছ শরীফ।
এদিকে জানা গেছে, অভিযুক্ত ঝালকাঠি পুলিশ লাইনে কর্মরত পুলিশের এএসআই ও ইকড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. বশির উদ্দিন।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি মোঃ আনওয়ারের সঙ্গে সাক্ষাতে কথা হলে তিনি বলেন,হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। যাহার মামলা নং ১১।
এর আগে,গত শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) সকালে ইকড়ি বাসস্ট্যান্ডে এএসআই বশিরের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী মনির হোসেন হাওলাদারকে চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। হামলাকারী পুলিশ সদস্যর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে দেখা যায়,
হামলাকারী পুলিশ সদস্য মনিরের দোকানের মালামাল তছনছ করে দেয়। এসময়ে আহত মনির হোসেন হাওলাদারকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত মনির হোসেনের বড় ভাই ইব্রাহিম মাস্টার জানান, উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা ঝালকাঠি পুলিশ লাইনে কর্মরত এএসআই মো. বশির উদ্দিনের কাছ থেকে তার ছোট ভাই দোকান ভাড়া নিয়ে স্যানিটারি মালামাল এবং রড সিমেন্টের ব্যবসা করে। ওই দোকানের ভাড়াও নিয়মিত পরিশোধ করে আসছে তার ছোট ভাই। দোকানের পাশের কিছু জমি ছয় লাখ টাকায় ক্রয় করতে দোকান মালিক বশির উদ্দিনের সঙ্গে চুক্তি হয়। এর বায়না বাবদ আড়াই লাখ টাকা পরিশোধ করেন তারা দুই ভাই। কিন্তু দীর্ঘদিন পর্যন্ত ওই জমি রেজিস্ট্রি না দিয়ে পুলিশি প্রভাব খাটিয়ে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন টালবাহানা করতে থাকেন।
এ নিয়ে দুই মাস আগে ঝগড়া হলে ওই দোকান তালাবন্ধ করে দেন ঘর মালিকের চাচাতো ভাই কবির হোসেন মাতুব্বর ও তার সহযোগীরা। ওই তালার উপরে ব্যবসায়ী মনির হোসেন তালা লাগিয়ে দেন। এ নিয়ে মামলা করেন ব্যবসায়ী মনির হোসেনের বড় ভাই মো. ইব্রাহিম। বর্তমানে ওই মামলা পিবিআইতে তদন্তাধীন।
গত শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) সকালে ওই পুলিশ কর্মকর্তা মো. বশির উদ্দিন দোকানের তালা কেটে দোকানে প্রবেশ করলে ব্যবসায়ী মনির হোসেন এতে বাধা দেন। এ সময় বশির উদ্দিন ও তার ছয় সহযোগী মনির হোসেনকে চেয়ার দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন। আহত মনির হোসেন হাওলাদারকে প্রথমে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মো. ইব্রাহীম মাস্টার আরও জানান, ওই পুলিশ সদস্যের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। এ চক্রটির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীন।






