আপডেট: December 25, 2021
আপডেট:
শিকদার মাহাবুব::
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ২১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরা হলেন সাদিয়া,স্বপ্না,জেসমিন,মনিকা,খাদিজা,সাহিদা,মমতাজ,বশির,বাচ্চু মিয়া,হাবিবুর রহমান,রাব্বি,মিলন রাসেল ও বশির। এদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। অন্যদিকে শেবামেক হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ড থেকে ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিউ) মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে পুতুল ও মিতু। তবে ইতিমধ্যে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করে পুরুষ সার্জারী ওয়ার্ড থেকে স্বেচ্ছায় নাম কেটে বাড়ি চলে গেছেন ৫ জন দগ্ধ রোগী। চিকিৎসা সেবা গ্রহন করে বাড়ি ফেরাদের মধ্যে রয়েছে মোহিন, আব্দুস সত্তার,গোলাম মাওলা,অর্জুন গোমতা ও বঙ্কিম চন্দ্র। তবে শেবামেক হাসপাতালের ডাক্তার নার্সদের পাশাপাশি রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ৪৮ জন সদস্য দগ্ধ রোগীদের বিভিন্ন উপায়ে সেবা করছে। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক এস.এম. মনিরুজ্জামান বলেন, লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ২১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এদিকে আজ শনিবার সকালে লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দগ্ধদের হাসপাতালে গিয়ে খোজখবর নিয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার আমিনুল ইসলাম। সর্বশেষ জানা গেছে, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে রেফার্ডকৃতদের মধ্যে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।






