শেবামেক হাসপাতালে আয়া ও রোগীর মধ্যে মারামারি…..

আপডেট: April 15, 2022

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার
পাওনা টাকা চাওয়ার কারনে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালে কর্মরত আয়া নুপুরের হামলায় এক বৃদ্ধ আহত হয়েছে। এসময় আয়া নুপুর হাসপাতালের ফ্লোরে পড়ে গেলে তার হাতেও চোট লাগে। আজ শুক্রবার দুপুরে শেবামেক হাসপাতালের মহিলা সার্জারী ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত বৃদ্ধ কালামকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত অবস্থায় আবুল কালাম বলেন,আমার সাথে আয়া নুপুরের দীর্ঘ বছরের ভাই-বোনের সম্পর্ক । বোন হিসেবে নুপুর বিভিন্ন সময় আমার কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা ধার নেয়। টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে আমার সাথে টালবাহানা করে সে। গত বুধবার রাতে পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে আমাকে তার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। একপর্যায় নগরীর কালু খান সড়কের ভাড়া বাসায় নুপুর,তার স্বামী আনোয়ার ঢালী ও মেয়ে আখি আক্তার আমার হাত-পা রশি দিয়ে বেধে লোহার রড দিয়ে বেধরক পেটায়। তাছাড়া আমি কোন টাকা পাইনা মর্মে আমার কাছ থেকে জোর করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। এমনকি আমার মোবাইল ভাংচুর করে। পরে আমাকে ছেড়ে দেয়। এসময় আমি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হই। কিন্তু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে যাওয়ার সময় আজ শুক্রবার আয়া নুপুর ও তার সহযোগীরা মিলে আমাকে ফের মারধর করে। এদিকে হাসপাতালের আয়া নুপুর বেগম বলেন,ভাইবোনের সম্পর্কের খাতিরে কালাম প্রাই আমার বাসায় আসতো। এরই সুবাদে বিভিন্ন সময় কালাম গোপনে আমার নগ্ন শরীরের ভিডিও রেকর্ড করতো। বিষয়টি আমি প্রথমে টের পাইনি। পরে কালাম আমার নগ্ন শরীরের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়। যে কারনে গত বুধবার রাতে আমার বাসায় ডেকে আমি কালামের ব্যবহৃত মোবাইল পুতা দিয়ে টাক মেরে ভেঙে ফেলি। কিন্তু শুক্রবার দুপুরে কালাম তার পরিবারের লোকজন নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। হাসপাতাল পরিচালক এইচএম সাইফুল ইসলাম বলেন, মারামারির ঘটনায় আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি।আমি বিষয়টির খোজ নিয়ে দেখছি।এদিকে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আজিমুল করীম জানান,হাসপাতালে মারামারির ঘটনার বিষয়টি আমি জানতে পেরে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি পরবর্তীতে খতিয়ে দেখা হবে।

 

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শিকদার মাহাবুব