আপডেট: April 15, 2022
গৌরনদীতে আসামি আটক হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে নির্যাতিত কিশোরীর পরিবার
স্টাফ রিপোর্টার
গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ ধানডোবা গ্রামে কিশোরী মিতু নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে রয়েছে বাদীপক্ষ। নির্যাতিত কিশোরীর বাবা ফিরোজ হাওলাদার বলেন,আমার পূর্ব পুরুষের কবরে মাটি দেওয়ার কারণে গত ৭ এপ্রিল সকাল নয়টার দিকে আমার পরিবারের ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। এসময় আমার মেয়ে মিতু আক্তার, স্ত্রী মুক্তা বেগম,ছেলে সজিব হাওলাদার ও চাচী মনোয়ারা বেগম আহত হয়। সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করলেও আমার মেয়েকে আশুকাঠি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকে ও আমার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে প্রতিপক্ষ। ফিরোজ হাওলাদার আরও বলেন, আমার পূর্ব পুরুষের কবর অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলা হয়। আর তাদের কথামত কাজে অস্বীকৃতি জানালে চাচা পিরু হাওলাদারের শেল্টারে,রাসেল হাওলাদার তার স্ত্রী পিঙ্কি আক্তার ও রাফি হাওলাদার বাংলা দায়ের বাট দিয়ে আমাদেরকে পেটায়। কিন্তু মিতুর তলপেটে ও মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত লাগলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আমার মেয়ের অবস্থা বেশি একটা ভালো নয়। তবে হামলার ঘটনায় দ্রুত গৌরনদী থানায় মামলা গ্রহণ করেছে পুলিশ। এমনকি মামলার আাসামী মজিদুন্নাছাকে আটকও করা হয়েছে। এদিকে গৌরনদী থানার ওসি মোঃ আফজাল হোসেন বলেন, কিশোরী নির্যাতনের ঘটনায় একজনকে আটকের পর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। আর ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রতিপক্ষ হুমকি-ধমকি দিলে ৯৯৯ এ কল করার জন্য অনুরোধ রইলো।






